ব্যাংকার প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১০:৫৬, ৬ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫৭, ৬ মার্চ ২০২৬
বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে সুমন কুমার দাস নামের এক গ্রাহকের ২শ ভরি স্বর্ণালঙ্কার খোয়া যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী, পিবিআই পুলিশ সুপার মো. আল মামুনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পূবালী ব্যাংকের শাখায় আসেন। বিকেল পর্যন্ত কয়েকঘণ্টা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন।
এর আগে বুধবার (৪ মার্চ) সুমন কুমার দাস নামের ওই গ্রাহক ব্যাংকের লকারে মজুদ রাখা স্বর্ণ খোয়া যাওয়ার অভিযোগ করেন।
গ্রাহকের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর পূবালী ব্যাংক, বাগেরহাট শাখার লকারে পরিবারসহ আত্মীয়-স্বজনের আনুমানিক ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রাখা হয়। পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকায় গত বুধবার ব্যাংকে গিয়ে লকারে রাখা স্বর্ণ নিতে গিয়ে দেখা যায় মজুদকৃত স্বর্ণালঙ্কার নেই। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে জানালে তারা বিষয়টি তদন্ত শুরু করে।
সুমন বলেন, আত্মীয় স্বজনসহ আমাদের সকলের স্বর্ণালঙ্কার ছিল। খুবই সংকটে পড়ে গেলাম আমরা। কিভাবে স্বর্ণালঙ্কার খোয়া গেল সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক।
এদিকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে বলে জানান ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন।
তিনি বলেন, ব্যাংকে এমন ঘটনা এবারই প্রথম। আর লকারে তিনি কোনো ঘোষণা দিয়ে স্বর্ণালঙ্কার রাখেন নাই। লকারে গ্রাহকের যে অংশ সেই অংশের চাবি গ্রাহকের কাছেই থাকে। ওই অংশের চাবি ব্যাংকের কাছে থাকে না। পুরো বিষয়টি আসলে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তেই বেড়িয়ে আসবে আসল সত্য।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, ব্যাংকের লকার থেকে স্বর্ণালঙ্কার খোয়া গেছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তের পরে কে দায়ী সেই বিষয়ে স্পষ্ট হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
এএ
ব্যাংকার প্রতিবেদন