ব্যাংকার প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২২:৩২, ৮ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২২:৩৫, ৮ মার্চ ২০২৬
বস্ত্র ও পাট, শিল্প এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, তাঁত পণ্যের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁতের প্রতিটি পণ্যের সম্ভাবনা আছে, এজন্য উন্নত মার্কেটিং, বিপণন খুব জরুরি। আগামীতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে কীভাবে উৎপাদন খরচ কমানো যায়, উপকরণগুলি সহজলভ্য করা যায় তা নিয়ে কাজ করবো।
তিনি বলেন, মসলিন, জামদানি উঁচু মূল্যের না হইলে টিকবে না। বস্ত্রখাতের হারানো ঐতিহ্য দেশ ছাপিয়ে বিশ্বের বুকে ফেরাতে আমরা কাজ করবো, যা আগামীতে প্রতিফলিত হবে।'
রোববার (০৮ মার্চ) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের উদ্যোগে ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় রাজধানীর বেঙ্গল শিল্পালয়ে ১০ দিনব্যাপী (৮-১৭ মার্চ) তাঁতশিল্প মেলার উদ্বোধনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, 'বাংলাদেশের তাঁত শিল্পের ইতিহাস বেশ পুরোনো। ঐতিহ্যপূর্ণ তাঁত শিল্পের সাথে প্রায় ১৫ লক্ষ লোক জড়িত। গ্রামীণ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তাঁত শিল্পের অবস্থান দ্বিতীয় আর বৈদেশিক রপ্তানির ক্ষেত্রে তাঁত খাতের অবদান প্রায় ২.৬ শতাংশ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার 'সবার আগে বাংলাদেশ' দর্শন নিয়ে কুটিরশিল্প ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে।'
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, 'উচ্চ আয়ের দেশ গঠনে তাঁত শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড ভূমিকা রাখছে। তাঁত খাতে উৎপাদিত বস্ত্র এ দেশের বস্ত্র চাহিদার প্রায় ৪৫ ভাগ পূরণ করে থাকে। এ শিল্পের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম সংযুক্ত করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বস্ত্রখাতের সমস্যা ও সমাধানের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেন। তিনি আধুনিক প্রযুক্তি ও যুগোপযোগী রুচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এর পণ্যগুলো বিকশিত করার কথা উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু আহমদ ছিদ্দীকীর পক্ষে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তাঁত বোর্ডের সদস্য মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মেলার সবগুলো স্টল পরিদর্শন করেন এবং উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন দেন। এ সময় বস্ত্র ও পাট সচিব বিলকিস জাহান রিমিসহ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের সদস্য দেবাশীষ নাগ, প্রকল্প পরিচালক সুকুমার চন্দ্র সাহাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, আগত দর্শনার্থীবৃন্দ এবং তাঁতি প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
এএ
ব্যাংকার প্রতিবেদন