ব্যাংকার প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৯:১৯, ৯ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১৯:২০, ৯ মার্চ ২০২৬
ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)-এর একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। সাক্ষাৎকালে, উভয় প্রতিষ্ঠানই বাংলাদেশের আর্থিক ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।
আজ সোমবার আইসিএমএবি সভাপতি মো. কাউসার আলমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি রাজধানীর বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নরের সঙ্গে এ সাক্ষাৎ করেন।
আলোচনাকালে, প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথে আর্থিক খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করে, যার মধ্যে; কর্পোরেট গভর্ন্যান্স, আর্থিক প্রতিবেদনের মানদণ্ড, নিয়ন্ত্রক বিধিমালা অনুসরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আধুনিক পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য।
আইসিএমএবি’র প্রেসিডেন্ট কাউসার আলম বলেন, ‘দেশের সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতে ব্যয় ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্টদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড-ভিত্তিক পদ্ধতির প্রসারে আইসিএমএবি কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে অর্থনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই জটিল হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, দক্ষ অ্যাকাউন্টেন্টরা আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সুশাসন নিশ্চিত এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আর্থিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অ্যাকাউন্টেন্টদের ভূমিকার বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অর্থনীতিতে সিএমএ-দের অবদান এবং দক্ষ পেশাজীবী তৈরিতে আইসিএমএবি’র ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি আর্থিক প্রতিবেদন, নিয়ন্ত্রক বিধিমালা অনুসরণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে আইসিএমএবি’র সঙ্গে সহযোগিতার বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আইসিএমএবি’র প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি মনজুর মো. শাইফুল আজম, ট্রেজারার ড. মো. মুসফিকুর রহমান, সাবেক প্রেসিডেন্ট আরিফ খান, কাউন্সিল সদস্য এ. কে.এম. কামরুজ্জামান, ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং আইসিএমএবি’র এক্সেকিউটিভ ডিরেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলম।
এছাড়াও, ঢাকা ব্রাঞ্চ কাউন্সিলের (ডিবিসি) চেয়ারম্যান মান্নান বেপারি, ডিবিসি’র অন্যান্য কাউন্সিলর এবং সিএমএ কমিউনিটির সিনিয়র ব্যাংক এক্সেকিউটিভবৃন্দ সে সময় উপস্থিত ছিলেন।
এএ
ব্যাংকার প্রতিবেদন