ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

২৭ ফাল্গুন ১৪৩২, ২২ রমজান ১৪৪৭

ট্রেজারি বন্ডের বিপরীতে ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোকে অনুমতি

ব্যাংকার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২২:৩২, ১১ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২২:৩২, ১১ মার্চ ২০২৬

ট্রেজারি বন্ডের বিপরীতে ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোকে অনুমতি

ট্রেজারি বন্ড (টি-বন্ড) বন্ধক রেখে ঋণ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে সরকারি সিকিউরিটিজকে আনুষ্ঠানিক জামানত হিসেবে ব্যবহার করে তারল্য বাড়ানো এবং ঋণপ্রবাহ সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বুধবার (১১ মার্চ) জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

সার্কুলারে বলা হয়, সরকারি ইস্যুকৃত বন্ডের বিপরীতে ঋণ সুবিধা চালুর বিষয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ নির্দেশনা জারি করেছে।

নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে বন্ধক রাখা ট্রেজারি বন্ডকে ব্যাংক অর্থায়নের জন্য গ্রহণযোগ্য জামানত হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এতে ঋণদাতা ব্যাংকগুলোকে ঋণ বিতরণের জন্য একটি কাঠামোবদ্ধ নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংজ্ঞা অনুযায়ী, লিয়েন হলো এমন একটি আইনগত অধিকার বা দাবি, যার মাধ্যমে ঋণদাতা কোনো ঋণগ্রহীতার ট্রেজারি বন্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণ বা দাবি রাখতে পারে।

আইনগত ও কার্যকরী অনুবর্তিতা নিশ্চিত করতে ঋণ বিতরণের আগে ব্যাংকগুলোকে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। কোনো গ্রাহককে ওভারড্রাফট বা মেয়াদি ঋণ দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ট্রেজারি বন্ড যথাযথভাবে লিয়েন হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।

এ ধরনের ঋণের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু কঠোর আর্থিক সীমা নির্ধারণ করেছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো বন্ডের মূল মূল্যমানের সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থায়ন করতে পারবে।

এ ছাড়া মোট ঋণের পরিমাণের ওপরও একটি নিরাপত্তা সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সুদ, মুনাফা, চার্জ বা ফি যোগ হয়ে কোনো অবস্থাতেই বকেয়া ঋণের পরিমাণ বন্ডের মূল মূল্যমান অতিক্রম করতে পারবে না।

এছাড়া ঋণ সুবিধার মেয়াদ কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট বন্ডের পরিপক্বতার সময়সীমা অতিক্রম করতে পারবে না।

এএ

ব্যাংকার প্রতিবেদন

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন