ব্যাংকার প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৭:৫৬, ১৭ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৭:৫৭, ১৭ জুন ২০২৬
সাম্প্রতিক অস্থিরতার মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেওয়া গ্রাহকের অনেকে আবার ফিরতে শুরু করেছেন। মেয়াদি আমানত সচলের বিশেষ সুযোগের প্রথম দিন মঙ্গলবার বন্ধ হওয়া ৫০২টি হিসাবের বিপরীতে ৪৫ কোটি টাকা আবার জমা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ দিন নগদ উত্তোলনের চেয়ে ১৬০ কোটি টাকা জমা বেশি হয়েছে।
এছাড়া সীমিত আকারে এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন ও অনলাইন ব্যাংকিং সচল হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, ইসলামী ব্যাংক থেকে মঙ্গলবার এক হাজার ৫২০ কোটি টাকা নগদ জমার বিপরীতে উত্তোলন হয়েছে এক হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। অবশ্য আগের কয়েকদিন জমে থাকা অনলাইনে বিভিন্ন স্থানান্তরের পর গতকালের উত্তোলন বেশি ছিল ৪৩৬ কোটি টাকা। আগের দিন অর্থাৎ নগদ এক হাজার ১৪৪ কোটি টাকা জমা হয়।
এর আগে গত রোববার ও বৃহস্পতিবার যেখানে জমার তুলনায় উত্তোলন বেশি ছিল এক হাজার কোটি টাকার বেশি। আর আন্দোলন শুরুর পর ১ জুন থেকে গত রোববার পর্যন্ত জমার তুলনায় উত্তোলন বেশি হয় ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।
ইসলামী ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, উত্তোলনের চাপ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নতুন করে আর ধার চাওয়া হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার যে আড়াই হাজার কোটি টাকার বিশেষ ধার দিয়েছিল তা ব্যবহারের দরকার পড়েনি।
দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি হলে চলতি হিসাব পরিস্থিতির উন্নতি হয়ে আবার বিধিবদ্ধ জমা সংরক্ষণ সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিশেষ ধারের টাকা দ্রুত ফেরত দিতে সক্ষম হব বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এএ
ব্যাংকার প্রতিবেদন